প্রিন্ট এর তারিখঃ Jul 30, 2026 ইং || প্রকাশের তারিখঃ Jul 30, 2026 ইং
সরোয়ারের এমপি পদে থাকতে বাধা নেই

নিউজ ডেস্ক (চট্টগ্রাম)
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রাম–২ আসনে জয়ী বিএনপির প্রার্থী সরোয়ার আলমগীরের সংসদ অধিবেশনে যোগ দেওয়ার পথ আটকাতে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মুহাম্মদ নুরুল আমিন আপিল বিভাগে যে আবেদন করেছিলেন, তা ধোপে টেকেনি। সর্বোচ্চ আদালত গতকাল বুধবার আবেদনটি কার্যতালিকা থেকে বাদ দেওয়ায় সরোয়ার আলমগীরের এমপি হিসেবে দায়িত্ব পালনে কোনো বাধা থাকল না বলে জানিয়েছেন অ্যাটর্নি জেনারেল রুহুল কুদ্দুস কাজল। খবর বিডিনিউজের।
হাই কোর্ট সরোয়ার আলমগীরের প্রার্থিতা বৈধ ঘোষণা করায় আপিল বিভাগে এই আবেদন করেছিলেন নুরুল আমিন। হাই কোর্টের রায়ের কার্যকারিতা স্থগিত করারও আর্জি জানিয়েছিলেন তিনি। প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন চার সদস্যের আপিল বেঞ্চ ওই আবেদনটি কার্যতালিকা থেকে বাদ দেওয়ার আদেশ দেয়। বেঞ্চের অপর তিন সদস্য হলেন– বিচারপতি মো. রেজাউল হক, বিচারপতি এস এম এমদাদুল হক এবং বিচারপতি ফারাহ মাহবুব। আদালতে আবেদনকারী মুহাম্মদ নুরুল আমীনের পক্ষে শুনানিতে ছিলেন আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির ও আজিম উদ্দিন পাটোয়ারী। অন্যদিকে সরোয়ার আলমগীরের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী আহসানুল করিম ও এ এম মাহবুব উদ্দিন খোকন।
আদেশের পর অ্যাটর্নি জেনারেল রুহুল কুদ্দুস কাজল সাংবাদিকদের বলেন, জামায়াতের প্রার্থী একটি অন্তর্বর্তীকালীন আদেশ চেয়েছিলেন, যাতে সরোয়ার আলমগীর এমপি হিসেবে কাজ করতে না পারেন। কিন্তু এরই মধ্যে হাই কোর্ট বিভাগ পূর্ণাঙ্গ রায়টি প্রকাশ করেছে। যেহেতু পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ করা হয়েছে, সুতরাং অন্তর্বর্তীকালীন আদেশ চেয়ে করা আবেদনটির প্রয়োজন থাকে না। তাই আদালত আজকে মামলাটি তালিকা থেকে বাদ দিয়ে দিয়েছেন।
অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, হাই কোর্টের পূর্ণাঙ্গ রায়টি পাওয়ার পর নুরুল আমীন চাইলে নিয়মিত আপিলের আবেদন করতে পারবেন। কিন্তু বর্তমানে এই মামলাটির প্রেক্ষিতে বলতে পারি, সরোয়ার আলমগীর এমপি হিসেবে যে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন, শপথ নিয়েছেন বা পার্লামেন্টে যোগ দিয়েছেন– সেটি অব্যাহত থাকবে। তার দায়িত্ব পালনে কোনো বাধা থাকল না।
হাই কোর্টের রায়ের কার্যকারিতা নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, যতক্ষণ পর্যন্ত হাই কোর্টের এই রায়টির বিরুদ্ধে কেউ আপিল না করছেন এবং সর্বোচ্চ আদালত যদি আপিল শুনে কোনো স্থগিতাদেশ না দেন, ততক্ষণ পর্যন্ত অবশ্যই হাই কোর্টের রায়টি কার্যকর। নুরুল আমীনের আইনজীবী আজিম উদ্দিন পাটোয়ারী বলেন, হাই কোর্টের রায়ের সত্যায়িত অনুলিপি হাত পেলেই তারা আপিলের আবেদন করবেন।
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ দৈনিক চট্টগ্রামপোস্ট